|
পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সরকারি স্কুুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বর্ধিত
হারে বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু তাঁদেরই সহকর্মী কিছু শিক্ষক
সেই হারে বেতন পাচ্ছেন না। কারণ, তাঁদের ‘কোয়ালিফিকেশন পে’ বা ‘যোগ্যতা-ভিত্তিক
বেতন’ চালু হয়নি বলে অভিযোগ। সরকারি স্কুলের পুষ্টিবিদ্যা, অঙ্কন ও সঙ্গীত শিক্ষকেরা ২৭
বছর ধরে এই বেতন-বৈষম্যের শিকার। এমন শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ৬৮। পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশে বেতন বৃদ্ধির পরে অন্যদের থেকে এঁরা প্রায় আট হাজার টাকা কম বেতন পাচ্ছেন।
ওই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের
অভিযোগ, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা দায়িত্বে অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের
কোনও পার্থক্য নেই। তাঁরা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ান, পরীক্ষা নেন, খাতাও দেখেন। তা
সত্ত্বেও তাঁরা সমান হারে বেতন পান না।
সরকারি স্কুলশিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীপক দাস বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষক-শিক্ষিকারা
বৈষম্যের শিকার। অথচ সমস্যার সমাধানে সরকারের কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।” স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তার কথায়, “সরকার যখন যেমন নির্দেশ দিয়েছে, সে-ভাবেই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের
বেতন বেড়েছে। তবে এর মধ্যে অনেক কিছুই যে
অযৌক্তিক ভাবে হয়েছে, এ কথাও ঠিক।”
|