|
জয়ন্তী
পাহাড়ের কোলে ভুটিয়া
বস্তিতে এক দল প্রতিবন্ধী
ছেলেমেয়েদের নিয়ে
শুরু
হল প্রকৃতি
পাঠ শিবির। শিবিরের উদ্যোক্তা হিমালয়ান
নেচার অ্যাণ্ড অ্যাডভেঞ্চার
ফাউণ্ডেশন (ন্যাফ)। শুক্রবার
শুরু
হওয়া
ওই শিবিরে মোট ১২৩ জন শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী
ছেলেমেয়ে অংশ
নিয়েছে। প্রতিবন্ধীদের
নিয়ে এই শিবির এ বার উনিশ বছরে পড়ল।
কলকাতা, জামসেদপুর, গুয়াহাটি,
বেনারস এবং উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন
প্রান্ত
থেকে প্রতিবন্ধীরা
শিবিরে অংশ নিয়েছেন।
শিবির চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
ন্যাফ মুখপাত্র অনিমেষ বসু জানান, প্রতিবন্ধী
ছেলেমেয়েরা শারীরিক কারণেই চার দেওয়ালের
বাইরে বার হতে পারে না। এই ধরনের শিবির তাঁদের সঙ্গে প্রকৃতির
পরিচয় ঘটাতে সাহায্য করে। শিবিরে
শিশুদের
নানা ধরনের গাছপালা, পশু-পাখি
এবং কীটপতঙ্গ চেনানো হবে। প্রতি
বছরের মতো এ বারও ছোট ছোট তাঁবুতে শিবিরের শিশুদের
রাখা হয়েছে। তাঁবুর নামকরণ করা হয়েছে
বিভিন্ন বন্য জন্তুর
নামে।
হাতি
তাড়ানোর
গুলিতে
আহত এক বালক
নিজস্ব
সংবাদদাতা
•
গুয়াহাটি
নিশানা ছিল হাতিরা। কিন্তু হাতির পালকে তাড়াতে গিয়ে বনরক্ষীদের ছোড়া গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে লাগল এক বালকের
পিঠে। বালকের নাম টিঙ্কু দাস। আশঙ্কাজনক অবস্থায় টিঙ্কুকে হাসপাতালে
ভর্তি করানো হয়েছে। গত এক মাস ধরে ১০০টি হাতির একটি বিরাট
দল যোরহাটে তাণ্ডব চালাচ্ছে। তাদের দাপটে রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। হেক্টরের পর হেক্টর জমির পাকা ফসল
নষ্ট করেছে ওই হাতিরা। বন দফতরের পাঠানো বিশেষ দল নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়েও হাতিদের নিরস্ত করতে পারেনি।
কাল মলঙে ফের হাতির হামলা শুরু হয়। হাতিদের
কাজিরাঙা, ডিব্রু-শইখোয়ায় ফেরত পাঠাতে গিয়ে বনকর্মীরা শূন্যে গুলি চালান বলে বন
দফতরের দাবি। তারই একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গিয়ে লাগে টিঙ্কুর পিঠে।
বাঘ
ধরতে পাতা হল
খাঁচা
নিজস্ব
সংবাদদাতা
•
বাসন্তী
বাসন্তীর ত্রিদিবনগর গ্রামে
বাঘের আতঙ্ক কাটেনি। শুক্রবার সকালেও নদীর চরে বাঘটির পায়ের টাটকা ছাপ দেখতে
পান গ্রামবাসী এবং বনকর্মীরা। বাঘটি ধরতে বনকর্মীরা এ দিন সংলগ্ন হেড়োভাঙা নদীর চরে
খাঁচা পাতেন। বৃহস্পতিবার বিকালে নদীবাঁধ লাগোয়া ঝোপের ধারে
বাঘটিকে দেখেন গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে বনকর্মীরা ঝোপটি জাল দিয়ে ঘিরে ফেলেন। সারারাত
ধরে পটকা ফাটিয়ে বাঘ তাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। বাঘ ধরা না-পড়া পর্যন্ত পাহারা চলবে বন
দফতর জানিয়েছে।
প্রকৃতি
পাঠ
২৮ ডিসেম্বর থেকে গরুবাথানে চিতং খোলায় প্রকৃতিপাঠ শিবিরের আয়োজন করল ওদলাবাড়ি নেচার ও অ্যাডভেঞ্চার সোসাইটি। ৮ থেকে ১৬-র কিশোর-কিশোরীরা ওই শিবিরে অংশ নেবেন। টানা চারদিন ধরে
শিবির চলবে। শিবিরে অংশগ্রহণকারীদের ডুয়ার্সের প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিতি করানো হবে। সংস্থার পক্ষে হায়দর আলি এবং সুজিত দাস জানান, বন্যপ্রাণি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হবে তাদের কাছে। |